Tuesday , March 26 2019

বাংলা সাহিত্য-আলোচিত পঙতি ও স্রষ্টা

শোনা গেল লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে; কাল রাতে ফাগুন রাতের চাঁদ মরিবার হলো তার সাধ – উদ্ধৃত অংশটুকু কার রচনা? উঃ আট বছর আগের এক দিন; জীবনানন্দ দাশ।
সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে- উদ্ধৃত অংশটুকুর কবি কে? উঃ আকাশলীনা; জীবনানন্দ দাশ।
হে সূর্য! শীতের সূর্য! হিমশীতল সুদীর্ঘ রাত তোমার প্রতীক্ষায় আমরা থাকি – কোন কবির রচনা? উঃ প্রার্থী; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভূমি। কোন কবির রচনা? উঃ অনুভবন; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম ঘন্টা রাজছে রাতে রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে- কবিতাংশটি? উঃ রানার; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছাসে, – রচয়িতা কে? উঃ দুর্মর; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়, এবার কঠিন, কঠোর গদ্য আনো – রচয়িতা কে? উঃ হে মহাজীবন; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
কেউ কথা রাখেনি তেত্রিশ বছর কাটলো কেউ কথা রাখেনি- চরনটির কবি কে? উঃ কেউ কথা রাখেনি; কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
আজি হতে শত বর্ষে পরে কে তুমি পড়িছ, বসি আমার কবিতাটিখানি কৌতূহল ভরে,- কবিতাংশটি? উঃ কবিতাঃ ১৪০০ সাল; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আজি হতে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে – কবিতাংশটি? উঃ কবতাঃ ১৪০০ সাল; কাজী নজরুল ইসলাম।
মহা নগরীতে এল বিবর্ন দিন, তারপর আলকাতরার মত রাত্রী – রচয়িতার নাম কি? উঃ কবি সমর সেন।
আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি, আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি – এই কবিতাংশটুকুর কবি কে? উঃ আমি কিংবদন্তির কথা বলছি; আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো এ তরী, আমারী সোনার ধানে গিয়েছে ভরি -চরনটির কবি কে? উঃ সোনার তরী; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার সময় তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় -এই অংশটুকুর রচয়িতা কে? উঃ নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়; হেলাল হাফিজ।
জন্মেই কুঁকড়ে গেছি মাতৃজরায়ন থেকে নেমে, সোনালী পিচ্ছিল পেট আমাকে উগড়ে দিলো যেন এই কবিতাংশটুকুর কবি কে? উঃ উত্তরাধিকার; শহীদ কাদরী।
জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি- এই কবিতাংশটুকুর রচয়িতা? উঃ জন্মই আমার আজন্ম পাপ; দাউদ হায়দার।
মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা। চরনটির কবি কে? উঃ অতুল প্রসাদ সেন।
স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো – চরনটির রচয়িতা কে? উঃ স্মৃতিস্তম্ভ; আলাউদ্দিন আল আজাদ।
আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি – চরনটির রচয়িতা? উঃ বাতাসে লাশের গন্ধ; রুদ্র মোঃ শহীদুল্লাহ।
বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-দলে কিন্তু এ দেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?- চরনটির রচয়িতা কে? উঃ কপোতাক্ষ নদ; মধুসূদন দত্ত।
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর -চরনটির রচয়িতা কে? উঃ প্রতিদান; জসীম উদ্দিন।
যে শিশু ভুমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুমঃ সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক – চরনটির রচয়িতা? উঃ ছাড়পত্র; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
আপনাদের সবার জন্য এই উদার আমন্ত্রণ ছবির মতো এই দেশে একবার বেড়িয়ে যান। রচয়িতা? উঃ কবিতাঃ ছবি; আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।
তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো, সিথির সিদুঁর মুছে গেল হরিদাসীর – চরনটির রচয়িতা কে? উঃ তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা; শামসুর রাহমান।
জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই। হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে – রচয়িতা? উঃ সংগ্রাম চলবেই; সিকান্দার আবু জাফর।
ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবীরের রাগে, অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে – চরনটির রচয়িতা কে? উঃ কবর; জসীমউদ্দীন।
তাল সোনাপুরের তালেব মাস্টার আমি, আজ থেকে আরম্ভ করে চল্লিশ বছর দিবসযামী – রচয়িতা কে? উঃ তালেব মাস্টার; আশরাফ সিদ্দিকী।
সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার বধুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া -রচয়িতা কে? উঃ চন্ডিদাস।
রূপলাগি অখিঁ ঝুরে মন ভোর প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর -রচয়িতা কে? উঃ প্রেমতন্ময়ী রাধা; জ্ঞানদাস।
কুহেলী ভেদিয়া জড়তা টুটিয়া এসেছে বসন্তরাজ- চরনগুলির রচয়িতা কে? উঃ সম্ভাষণ; সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।

Check Also

বাংলাদেশ বিষয়াবলী-প্রধান নির্বাচন কমিশনার

নির্বাচন কমিশনারের নাম মেয়াদকাল বিচারপতি এম ইদ্রিস ০৭/০৭/১৯৭২ – ০৭/০৭/১৯৭৭ বিচারপতি এ কে এম নূরুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

56 − = 47