Wednesday , July 17 2019
Breaking News

নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সুশাসন বিষয়ে নোটঃ পার্ট- ১

১.সুশাসনের মূল চাবিকাঠি
— জবাবদিহিতা
২. মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ ‘‘ উক্তিটি কার ?
— এম.ডব্লিউ পামফ্রে
৩. নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশভূমি
— সমাজ
৪. বিশ্বাসের অন্তর্নিহিত মূল্য
— মূল্যবোধ
৫. সুশাসনের ভিত্তিতে মজবুত করতে মূল্যবোধ কি সংরক্ষণের শিক্ষা দেয়?
-সভ্যতা ,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য
৬. নাগরিক কর্তব্য পালনের শিক্ষা দিয়ে সুশাসনকে ত্বরান্বিত করে
— মূল্যবোধ শিক্ষা
৭. পরিবর্তন প্রতিরোধের মানসিকতা প্রকটভাবে দেখা যায়
— আমলাদের মধ্যে
৮. যে মূল্যবোধ মানুষের বাইরের ব্যক্তিত্বকে গড়ে তোলে তাকে কী বলে ?
— বাহ্যিক মূল্যবোধ
৯. কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ
— আনুগত্য
১০. বর্তমানে যুব সমাজ ধ্বংসের মূল হাতিয়ার কি?
— অপসংস্কৃতি
১১.অন্য ব্যক্তির কষ্ট যখন আমাদের মনে কষ্টের উদ্রেক করে কতখন সে অনুভুতিকে কি বলা হয়
— সহানুভূতি
১২. ‘অপরাধ একটি সামাজিক ঘটনা এবং সমাজের স্বাভাবিক রূপ ‘ কথাটি কে বলেছেন?
— এমিল ডুর্খেইম
১৩. নৈতিকতা ও সতাতা দ্বরা প্রভাবিত আচরণকে উত্কর্ষতাকে কি বলে?
— শুদ্ধাচার
১৪. আইনের শাসন কি?
— আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান

১৫. সামাজিক মূল্যবোধর অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি কোনটি ?
– সহনশীলতা
১৬. মূল্যবোধ কোন আচরণেকে নিয়ন্ত্রণ করে ?
– বাহ্যিক
১৭. সুশাসনের পূর্বশর্ত
— জবাবদিহিতা
১৮. সুশাসন নিডিশ্চত করতে যে দরনের সরকার প্রয়োজন
— গণতান্ত্রিক সরকার
১৯. সুশাসন জনপ্রশাসনের একটি
— নব্য সংস্কৃতি
২০. সুশানের লক্ষ্য কোনটি
– জনকল্যাণ সাধন

২১. ‘গভর্নেন্স’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।
২২. ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয় সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন – ৪টি প্রধান স্তরের উপর নির্ভরশীল।যথা – ক) দায়িত্বশীলতা খ) স্বচ্ছতা গ) আইনি কাঠামো ও ঘ) অংশগ্রহণ।
২৩. ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে – “সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।”
২৪. ‘ই-গভর্নেন্স’ শব্দটি এসেছে – ‘ই-গভর্মেন্ট’ বা ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্মেন্ট’ থেকে।
২৫. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে অনেক সময় – ডিজিটাল গভর্নেন্স, অনলাইন গভর্নেন্স নামেও অভিহিত করা হয়।
২৬. ‘ই-গভর্নেন্স’ কে বাংলায় – ‘ইলেক্ট্রনিক সরকার বা শাসন’ বলা হয়।
২৭. ‘ই-গভর্নেন্স’ বলতে – তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেট ও কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগকে বুঝায়।যা শাসনের এমন এক পদ্ধতি যেখানে সরকারি সেবা ও তথ্যসমূহ জনগণ সহজে ঘরে বসেই পেতে পারে।
২৮. ই-গভর্নেন্স ও সুশাসনের মধ্যে রয়েছে – নিবিড় সম্পর্ক।
২৯. বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন – শেখ হাসিনার সরকার।
৩০. ‘ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স’ এর মূল লক্ষ্য – সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
৩১. ‘ই-গভর্নেন্স’ চালু হলে – স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
৩২. ‘সুশাসন’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ – Good Governance
৩৩. ‘সুশাসন’ শব্দটির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে – ‘গভর্নেন্স’ প্রপঞ্চটির সাথে ‘সু’ প্রত্যয় যোগ করে।
৩৪. ‘সুশাসন’ একটি – বহুমাত্রিক ধারণা।
৩৫. ‘সুশাসন’ ধারণাটি – বিশ্বব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
৩৬. বিশ্বব্যাংক উদ্ভাবিত সুশাসন ধারণাটিতে মূলত – উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয়।
৩৭. ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম – ‘সুশাসন’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
৩৮. বর্তমান সময়ে প্রায় সব রাষ্ট্রই – কল্যাণকর রাষ্ট্র।
৩৯. আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত – ৩টি। যথা- ক) আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান খ) আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান থাকা ও গ) শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।
৪০. দূর্নীতি দমনের জন্য প্রয়োজন – স্বাধীন দূর্নীতি দমন কমিশন।
৪১. সুশাসন বাধাগ্রস্থ হয় – আইনের শাসন না থাকলে।
৪২. সুশাসনের একটি সমস্যা হলো – জবাবদিহিতার অভাব।
৪৩. অকারণে হরতাল ডাকা হয় – বাংলাদেশে।
৪৪. প্রায় এক যুগের অধিক সময় ধরে দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েই চলেছে – বাংলাদেশ।
৪৫. যে তিনটি মহাদেশে বারবার সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে – এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকা।
৪৪ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয় : নৈতিক মূল্যবোধ।
৪৫সভ্য সমাজের মানদণ্ড: আইনের শাসন।
৪৬কর্মকাণ্ডের ভাল-মন্দের বিচারের ভিত্তি : মূল্যবোধ।
৪৭মূল্যবোধ বিভিন্ন সমাজের : বিভিন্ন রকম।
৪৮মূল্যবোধ হল : পরিবর্তনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক।
৪৯মূল্যবোধের ভিত্তি : ১০টি।
৫০মূল্যবোধ সাধারণত : ৯ প্রকার।
৫১আর্থিক লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য হল : অর্থনৈতিক মূল্যবোধ।
৫২সামাজিক মূল্যবোধ হল : সুকুমার বৃত্তির সমষ্টি।
৫৩শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় : পরিবারে।
৫৪অপরের ধর্মমতকে সহ্য করা : ধর্মীয় মূল্যবোধ।
৫৫সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না : আইনের শাসনের অভাবে।
৫৬জাতীয় উন্নতির চাবিকাঠি : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
৫৭গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম মূল্যবোধ : সহনশীলতা।
৫৮আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
৫৯সৎ গুণই জ্ঞান/Knowledge is virtue : বলেছেন এরিস্টটল।
৬০Morality শব্দটি এসেছে : ল্যাটিন Moralitas থেকে।
৬১Truth is beauty and beauty is truth : বলেছেন জন কিটস।
৬২Moralitas এর অর্থ : সঠিক আচরণ/চরিত্র।
৬৩শুভ’র প্রতি অনুরাগ, অশুভ’র প্রতি বিরাগ : নৈতিকতা (ম্যূর)।
৬৪নৈতিকতার রক্ষাকবচ : বিবেকের দংশন।
৬৫নৈতিকতা প্রয়োগ করে না : রাষ্ট্র।
৬৬ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার : নৈতিকতা।
৬৭আইনের প্রয়োগ হয় না : নৈতিকতা লঙ্ঘনে।
৬৮আইন ও নৈতিকতার মধ্যে প্রথম পার্থক্য করেন : ম্যাকিয়াভেলি।
৬৯নৈতিকতাহীনতা : দণ্ডনীয় অপরাধ নয়।
৭০পৌরনীতির প্রাক্তন অংশ : নীতি বিজ্ঞান।
৭১নৈতিকতার পরিধি : আইনের চেয়ে বড়।
৭২নৈতিকতা হল : অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট।
৭৩রাষ্ট্র সাধারণত অনুসরণ করে : নৈতিকতাকে।
৭৪সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার ভিত্তি : সামাজিক স্বার্থ ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে।

৭৩নৈতিকতা ও নীতিবোধের বিকাশ ঘটায় : ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বোধ।
৭৪নৈতিকতা একটি মানসিক বিষয়।
৭৫ধনতান্ত্রিক সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভের ভিত্তি : স্বার্থপরতা ও লোভ।
৭৬নৈতিকতা ভিন্ন হতে পারে : দেশ-কাল-পাত্র ভেদে।
৭৭সুনাগরিকের বড় গুণ : আত্মসংযম।
৭৮গ্রহণ ও শ্রদ্ধার শিক্ষাকেই বলে : আত্মসংযম।
৭৯মানবীয় গুণ হল : সহমর্মিতা।
৮০সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির প্রধান ধাপ : শৃঙ্খলা-বোধ।
৮১অধিকার ও কর্তব্য সচেতন নাগরিকই : সুনাগরিক।

৮২‘নীতিভ্রষ্ট বা নীতিহীন শাসক হল অন্যতম পাপী’ বলেছেন : করমচাঁদ গান্ধী।
৮৩মূল্যবোধের ইংরেজি শব্দ হচ্ছে : value।
৮৪মূল্যবোধের শাব্দিক অর্থ : তুলনামূলক আর্যমূল্য, বা দান বা অন্তর্নিহিত গুণাবলি।
৮৫“মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ” : ফ্রাঙ্কেল।
৮৬মূল্যবোধকে দুটি বিষয়ের নিরিখে বিভক্ত করেছেন : Deniel H. Parker.
৮৭Deniel H. Parker এর বিষয় দুটি হল : বাস্তব জীবনভিত্তিক মূল্যবোধ ও কল্পনাপ্রসূত মূল্যবোধ।
৮৮রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত মূল্যবোধ : ইতিবাচক মূল্যবোধ।
৮৯রাষ্ট্র, সরকার ও গোষ্ঠী কর্তৃক অস্বীকৃত মূল্যবোধ : নেতিবাচক মূল্যবোধ।
৯০পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ : ৮ প্রকার।
৯১মানব মনের সুকোমল বৃত্তি প্রকাশের মূল্যবোধ : নান্দনিক মূল্যবোধ।
৯২মানুষের আচার-আচরণকে পরিমাপ ও নিয়ন্ত্রণ করে : মূল্যবোধ।
৯৩অন্যের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সুখে সুখী ও দুঃখে দুঃখী হওয়া হল : সহমর্মিতা।
৯৪মানুষের কাজের মানদণ্ড : মূল্যবোধ।
৯৫সমাজের ভিত্তি হল : সামাজিক মূল্যবোধ।
৯৬ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতাকে বলে : নৈতিকতা।
৯৭আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করা হত না : প্রাচীনকালে।
৯৮আইন ও নৈতিকতার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় : পৃথক সত্ত্বা হিসেবে রাষ্ট্রের প্রকাশের পর।
৯৯মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে : নৈতিকতা।
১০০বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে : নৈতিকতার উৎস।
১০১নৈতিকতা পরিচালিত হয় : সামাজিক বিবেকের দ্বারা।
১০২গণতন্ত্র থেকে উৎসারিত মূল্যবোধ : গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
১০৩আইন ও নৈতিকতার লক্ষ্য ও আলোচ্য বিষয় : একই।
১০৪মূল্যবোধ হল : সামাজিক আচার-আচরণের সমষ্টি।
১০৫সামাজিক মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য : আপেক্ষিকতা।
১০৬মূল্যবোধ দৃঢ় হয় : শিক্ষার মাধ্যমে।
১০৭সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত, পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত ও ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির উপর ১০৮নির্ভরশীলতা হল : মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য।
১০৯সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয় : পৌরনীতি ও ইতিহাসের শিক্ষা দ্বারা।
১১০মূল্যবোধ : সমাজের বৃহৎ অংশের দ্বারা অনুমোদিত।
১১১মূল্যবোধের একটি প্রকার হল : আদিম মানুষের কাজে-কর্মে।
১১২সততার সাথে দায়িত্ব পালনে ব্রত : মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ।
১১৩আইনের ভিত্তি বলা হয় : মূল্যবোধকে।
১১৪মানুষ ও পশুর মধ্যে পার্থক্যকারী ধারণা : ঔচিত্যবোধ।

১। গণতন্ত্রের প্রাণ কোনটি?
→ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন

২। সুশাসন কি ধরনের শাসন ব্যবস্থা?
→ অংশগ্রহণমূলক শাসন ব্যবস্থা

৩। সংসদীয় গণতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী কে?
→ প্রধানমন্ত্রী

৪। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য প্রয়োজন কোনটি?
→ ধর্মীয় সহিষ্ণুতা

৫। ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেয়া কোন মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত?
→ নৈতিক মূল্যবোধ

৬। সুশাসনের মূল লক্ষ কোনটি?
→ জবাবদিহিতা

৭। মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
→ Values

৮। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত কোনটি?
→ সুশাসন প্রতিষ্ঠা

৯। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য শাসন ব্যবস্থা কোনটি?
→ গণতন্ত্র

১০। সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা কোনটা?
→ বিশ্বব্যাংক

১. সুশাসনের চাবিকাঠি বলা হয় নিচের কোনটিকে?
(– সচেতনতাকে

০২.দেশ শাসনের প্রদান উপাদান কয়টি?
— ৩টি
০৩. গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র নিচের কোনটি?
(– সাম্য
০৪. বিশ্ব ব্যাংক চিহ্নিত সুশাসনের সূচক কয়টি?
–৬টি
০৫. জনগণের চোখ দিয়ে রাষ্ট্রকে দেখাই হচ্ছে-
— গণতন্ত্রের মূলতš
০৬. পেশাগত দিক থেকে মূল্যবোধ কত প্রকার ?
— ৮ প্রকার
০৭. কোন মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যাপক ব্যর্থতার ফসল হিসেবে উদ্ভব ঘটে সুশাসনের ধারণার ?
(– আফ্রিকা০৮. সাধারণভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সমস্যা কয়টি?
(—২২টি
০৯. সুশাসনের মূল রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
— অংশ গ্রহণমূলক পদ্ধতি
১০. দুর্নীতির সাথে সুশাসনের সম্পর্ক কিরূপ ?
— বিপরীতমুখী
১১. নাগরিককে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে নিচের কোনটি?
– শিক্ষা
১২. স্বৈরাচারের উৎপত্তি ঘটাতে সহায়তা করে নিচের কোনটির অভাব?
– (ঘ) মূল্যবোধ
১৩. জন প্রশাসনের একটি নব্য সংস্কৃতির নাম হলো-
(- সুশাসন
১৪. জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে নিচের কোনটি?
-) সরকার
১৫. গণতন্ত্রের প্রাণ নিচের কোনটি?
– নির্বাচন
১৬. সুশাসন ধারণাটির নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত ?
– বিশ্বব্যাংক
১৭. সুশাসন ধারণার উদ্ভব হয় কত সালে?
-) ১৯৮৯
১৮. আমাদের দেশের আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত কয়টি?
-৩টি
১৯. উন্নয়নশীল দেশের রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
-) ব্যক্তি পূজা
২০ জনগণ ও সরকারের মধ্যে যোগযোগ সহজ করতে ভূমিকা রাখছে নিচের কোনটি?
-) ই-গভর্ন্যান্স
০১. “রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন আবশ্যক” এ বক্তব্যটি কার?
উত্তরঃ মিশেল ক্যামভেসাস
০২. ’আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি উর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদশর্’ উক্তিটি কার ?
উত্তরঃ জন অস্টিন
০৩. কোনটি ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়?
উত্তরঃ জবাবদিহিতা
০৪. কিসের অভাবে দুর্নীতি জন্ম নেয়?
উত্তরঃসুশাসন
০৫. তথ্য অধিকার আইন প্রথম চালু হয় কোন দেশে ?
উত্তরঃ সুইডেন
০৬. দেশের শাসনতান্ত্রিক আইন উল্লেখ থাকে?
উত্তরঃ সংবিধানে
০৭. বাংলাদেশের গ্রাম সরকার আইন পাস হয় কত সালে ?
উত্তরঃ ২০০৩
০৮. বাংলাদেশে ই-গভার্ন্যান্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বাধা কী?
উত্তরঃ সমন্বয়হীনতা
০৯. নৈতিক অধিকারের মূল উৎস হলো-
উত্তরঃ ন্যায়বোধ
১০. রাজনৈতিক দল জনগণের উপকার করে কীভাবে?
উত্তরঃ দাবি পূরণের মাধ্যমে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

98 − = 93